নড়াইলে ভিজিএফ’র চাল আত্মসাৎ, ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

চাল আত্মসাৎ এ চেয়ারম্যান কারাগারে

রিপন বিশ্বাস,জেলা প্রতিনিধি নড়াইলঃ নড়াইলের লোহাগড়ায় সরকারি সহায়তার আওতায় বরাদ্দ করা ভিজিএফের চাল আত্মসাতের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের ( দুদক) দায়ের করা মামলায় কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের ( ইউপি ) চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. মতিয়ার রহমান এবং চাল ব্যবসায়ী মো. শাহাবুর রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত ।

এসময় মামলার আরেক আসামি খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা কামরান হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন না ।

রবিবার ( ২৪ জুলাই ) দুপুরে নড়াইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শেখ আমীনুল ইসলামের আদালতে উপস্থিত হয়ে আসামিরা জামিনের আবেদন করেন। আদালত শুনানি নিয়ে তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন>>>বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক কামরুজ্জামানকে যশোর কারবালায় দাফন

দুদক সূত্রে জানা গেছে , গত ১৯ মে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় যশোরের সহকারী পরিচালক মোশাররফ হোসেন যশোরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে ভিজিএফের চাল আত্মসাতের ঘটনায় মামলা দায়ের করেন ।

এ মামলার ১ নম্বর আসামি করা হয় কাশিপুরের ইউপি চেয়ারম্যান মো. মতিয়ার রহমানকে ।এছাড়া খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা কামরান হোসেন ও চাল ব্যবসায়ী মো . শাহাবুর রহমানকেও মামলায় আসামি করা হয় ।
চাল আত্মসাৎ এ চেয়ারম্যান কারাগারে
দুদক আরোও জানিয়েছে , মামলা দায়েরের পর চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান ও চাল ব্যবসায়ী শাহাবুর রহমান উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিন নেন । উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ২৩ জুলাই জামিনের মেয়াদ শেষ হয়।

আজ রবিবার ২৪ জুলাই আসামিরা নিম্ন আদালতে জামিন আবেদন নিয়ে হাজিরা দিতে আসলে আদালত তাদের কারাগারে পাঠান ।
চাল আত্মসাৎ এ চেয়ারম্যান কারাগারে
উল্লেখ্য , ২০১৯ সালে ইদুল আজহা সামনে রেখে অসহায় ও হতদরিদ্রদের মধ্যে বিতরণের জন্য ৪১ দশমিক ৫০ মেট্রিক টন বরাদ্দ করা চাল থেকে ৩ দশমিক ৬০ টন চাল ব্যবসায়ী মো . শাহাবুর রহমানের কাছে বিক্রি করে দেন ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান । ওই বছরের ৯ আগস্ট খাদ্য গুদাম থেকে ওই চাল খালাস করে কালোবাজারে বিক্রির জন্য নড়াইলে নেওয়ার পথে নড়াইল – যশোর সড়কের চৌগাছা চায়না প্রজেক্টের সামনে থেকে লোহাগড়া থানা পুলিশ দুই নসিমনে থাকা ১২০ বস্তা চাল জব্দ করেন ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here