খুলনা পাইকগাছায় প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে জোর পূর্বক পুকুর খননের অভিযোগ

454
পাইকগাছায় জোরপূর্বক পুকুর খনন
পাইকগাছায় নালিশী সম্পত্তিতে জোর পূর্বক পুকুর খনন করছে মজিদ গাজী

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি : খুলনা পাইকগাছায় প্রতিবেশী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কলেজ কর্মচারীর নালিশী সম্পত্তিতে জোর পূর্বক পুকুর খনন করার অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
আরও পড়ুন>>>কাউখালীতে প্রানিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

প্রাপ্ত অভিযোগে জানাগেছে, পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের গোপালপুর গ্রামের ছহিল উদ্দীন মিস্ত্রীর ছেলে ও পাইকগাছা সরকারি কলেজের কর্মচারী আজিবর রহমান বিভিন্ন সময়ে প্রতিবেশী মৃত বল্লা গাজী ওরফে ভোলাই গাজীর ৪ মেয়ে জরিনা, কদবানু, নাছিমা ও সুফিয়া বেগমের নিকট থেকে বিভিন্ন সময়ে কোবলা ও দানপত্র দলিল মূলে মা হোসনেয়ারা হাছিনা বেগমের নামে গোপালপুর মৌজায় এসএ ৪০৪ খতিয়ানে ৯৪৫ ও ৯৩৫ (বর্তমান হালদাগ ২৪৬৭ ও ২৪৫৯) ১৬.৯ শতক জমি খরিদ করে।
আরও পড়ুন>>>যশোরের বেনাপোলে আন্তর্জাতিক কাস্টমস দিবস পালিত

উক্ত নালিশী জমি প্রতিপক্ষ মৃত ভোলাই গাজীর ছেলে আব্দুল মজিদ গাজী জোর পূর্বক দখলে রাখার জন্য দীর্ঘদিন নানা কৌশল অবলম্বন করে আসছে। দখল বুঝে পেতে আজিবর রহমানের মা হোসনেয়ারা বাদী হয়ে পৌর মেয়র বরাবর আবেদন করলে উভয় পক্ষের সাথে শালিশী বৈঠক করে মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর হোসনেয়ারা বেগমের দাবী সঠিক উল্লেখ করে ২৫/০৭/২০১২ তারিখে প্রতিবেদন দেয়।
আরও পড়ুন>>>নলছিটিতে বাল্যবিবাহ নিরোধ কমিটির সভা

এদিকে আদালতে এ সংক্রান্ত মামলা চলমান থাকা অবস্থায় মজিদ গাজী লোকজন নিয়ে মঙ্গলবার
( ২৬ জানুয়ারী ) নালিশী জমিতে জোরপূর্বক পুকুর খনন কাজ করা সহ কয়েকটি গাছ কেটে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন আজিবর রহমান।

এ ব্যাপারে সরেজমিন গিয়ে জানতে চাইলে মজিদ গাজী বলেন, আজিবর তার মায়ের নামে আমার ৪ বোনের নিকট থেকে যে জমি নিয়েছে এটা সঠিক। তবে আমাদের বোনদের জমিতে আমাদের অধিকার রয়েছে।
এ জন্য উক্ত জমি ফেরত পাওয়ার জন্য আমরা তাকে অনুরোধ করেছি। এনিয়ে অনেক শালিশী বৈঠকও হয়েছে। আমাদের বসবাসের স্বার্থে নালিশী জমি খুবই প্রয়োজন। এ জন্য সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ মিমাংসার জন্য আমরা সব সময় প্রস্তুত রয়েছি।
আরও পড়ুন>>>শ্রীমঙ্গলে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here