আদালতের আদেশ অমান্য করে জমিতে দোকান নির্মানের চেষ্টা

287
বোয়ালিয়ায় আদালত অমান্য করে
আদালতের আদেশ অমান্য করে জমিতে দোকান নির্মানের চেষ্টা

কলারোয়া(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধিঃ আদালতে মামলা চলাকালে কলারোয়ার বোয়ালিয়ায় বিরোধ পূর্ন জমিতে পাকা দোকান ঘর নির্মানের চেষ্টা চালিয়েছে প্রতিপক্ষরা।

এঘটনায় শনিবার (৫ডিসেম্বর) বিকালে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ন্যায় বিচারের দাবীতে কলারোয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন।

জানা গেছে, উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের মৃত ওজিয়ার রহমান গাজীর ছেলে হাসানুজ্জামানের বাকসা মৌজায় এসএ ২৬৩৭ নং খতিয়ানে ১৫৭৬ দাগে ৫১শতক জমি আছে। ওই জমির মধ্যে সাড়ে ২৫শতক জমি নিয়ে প্রতিবেশী মৃত কিতাব্দী গাজীর ছেলে শাহাজান আলী ও ফারুক হোসেনের সাথে দীর্ঘ দিন বিরোধ চলে আসছে।

এনিয়ে সাতক্ষীরা আদালতে দেওয়ানি মামলা চলছে। যার মামলা নং-৯৩/১০১৪। যা গত ২৮মে ২০১৯সালে আদালত মামলাটির বাদীর পক্ষে রায় দেন। এর পরে বিবাদী পক্ষরা মামলাটির রায়ের বিপক্ষে আপিল করেন। বর্তমানে মামলাটি চলামান রয়েছে।

এর মধ্যে গত ১৯নভেম্ব-২০২০তারিখে বিবাদীরা আদালতের আদেশ অমান্য করে ওই বিরোধ পূর্ন জমিতে দোকান ঘর নির্মানের চেষ্টা করে। পরে এবিষয় নিয়ে কলারোয়া থানা পুলিশে অভিযোগ করলে থানার এসআই মাহাতাক উদ্দীন বিবাদীদের নোর্টিশ করে নির্মান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

কিন্তু বিবাদীরা এর পর থেকে নানা ভাবে মামলার বাদীকে হয়রানী করে আসছে।
একই সাথে গোপনে ওই বিরোধ পূর্ন জমিতে দোকান ঘর নির্মানের চেষ্টাও করে আসছে।

শনিবার (৫ ডিসেম্বর ২০২০) তারিখ সকাল ৮টার দিকে বিবাদী মৃত কিতাব্দী গাজীর ছেলে শাহাজান আলী ও ফারুক হোসেন দলবদ্ধ হয়ে আবারও ওই বিরোধী জমিতে রাজমিস্ত্রী নিয়ে পাকা স্থাপনা তৈরীর করার চেষ্টা কালে মামলার বাদী লোক মুখে শুনে ঘটনা স্থানে গিয়ে তাদের নিষেধ করিলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে মারপিটের উদ্যত হয়।

এঘটনার পরে শনিবার (৫ডিসেম্বর) বিকালে মামলার বাদী হাসানুজ্জামান জীবনের নিরপত্তা ও বিরোধ পূর্ন জমিতে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত দোকান ঘর নির্মাণ করিতে না পারে তার জন্য কলারোয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী নং-২০৩/২০২০ করেছেন।

আরওপড়ুন:
কাল ৬ ডিসেম্বর- কলারোয়া হানাদার মুক্ত দিবস
১০ জেলায় শুরু হয়েছে করোনার অ্যান্টিজেন পরীক্ষা
প্রগতিশীল রাজনৈতিক কৃষকনেতা সাইফুল্লাহ লস্কর এর আজ ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here