যশোরের মণিরামপুরে কলেজ ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু

0
80
যশোরে কলেজ ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু

আব্দুল্লাহ আল মামুন,(যশোর)মনিরামপুর প্রতিনিধিঃ যশোরের মণিরামপুর উপজেলার চাকলা মাঠপাড়া গ্রামে রাকিব গাজী (১৮) নামে এক কলেজ ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার হয়েছে। আত্মহত্যা না হত্যা এনিয়ে রহস্য দেখা দিয়েছে। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে। তবে, পুলিশ তার ঘর থেকে তিন পৃষ্ঠার সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন >>>১ কেজি ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের হাতে আটক-৩

রাকিব চাকলা মাঠপাড়ার আবু মুসা গাজীর ছেলে। সে কলারোয়া হাজী নাসিরুদ্দিন ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

আরও পড়ুন >>>যশোর যুবদল সেক্রেটারি রানাসহ ৪জন আটক

স্থানীয়রা জানিয়েছে, রাকিবের মরদেহে অদূরেই সুইসাইড নোট ছিল। তাতে উল্লেখ রয়েছে ‘অ্যাপাচি’ মোটরসাইকেল কিনে না দেওয়ায় কষ্টে রাকিব আত্মহত্যা করেছে। সে তার লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়া বাড়ির উঠানে দাফনের কথা উল্লেখ করেছে নোটে।

আরও পড়ুন >>>যশোর’করোনা উপসর্গে’ শিশু (বালক) উন্নয়ন কেন্দ্রের এক কিশোরের মৃত্যু

তারা আরো জানায়, রাকিব যেখানে ঝুলছিল সেই আড়ার উচ্চতা খাট থেকে তিন ফুট উঁচু হবে। এত কম উচ্চতার মধ্যে তার মৃত্যু মানতে পারছেন না অনেকে। ফলে তার মৃত্যু আত্মহত্যা না পরিকল্পিত হত্যাকান্ড তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে প্রতিবেশীসহ রাকিবের সহপাঠিদের। সুইসাইড নোট নিয়েও সন্দেহ তাদের।

স্থানীয়রা জানান, ঘরে রাকিবের সৎ মা। সাত বছর বয়সে তার মা লিলি বেগম তাকে ও লাবনী নামে এক মেয়েকে রেখে চলে যান।

রাকিবের সৎ মা রেশমা বেগম জানান, মোটরসাইকেল না কিনে দেওয়ায় রোববার রাতে ঘরের আড়ার সাথে মাফলার পেঁচিয়ে রাকিব আত্মহত্যা করেছে। সোমবার (৩ মে ) সকাল সাতটার দিকে আমরা তাকে ঝুলে থাকতে দেখেছি।

রাকিবের মা লিলি বেগমের দাবি, সৎ মা রেশমা বেগম ও পিতা আবু মুসা রাকিবকে মেরে লাশ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রেখেছে।

রাজগঞ্জ তদন্তকেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক লিটন বলেন, ঘুমের বড়ি খেয়ে রাকিব আত্মহত্যা করেছে না তাকে মেরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে তা প্রাথমিকভাবে বোঝা যাচ্ছে না। প্রকৃত কারণ জানতে লাশ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, কাগজে লেখা কিছু পেয়েছি। সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রাজগঞ্জ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর শাহাজাহান আলম বলেন, রাকিবের মা যা বলছেন সেটা আবেগ। আমরা লাশ মর্গে পাঠিয়েছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here