যশোর পৌরসভা ভোট হবে আগের সীমানায়

252
যশোর-পৌরভোট-আগের-সীমানায়

 মোয়াজ্জেম হোসেন, যশোর : আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি যশোর পৌরসভায় আগের সীমানায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে খসড়া ভোটার তালিকা বুধবার প্রকাশ করা হয়েছে।

এই তালিকা অনুযায়ী, ভোটার বেড়েছে ১৫ হাজার ৫৭৭ জন। নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যশোর পৌরসভার কোনো সীমানা বাড়ানো হয়নি। সীমানা বেড়েছে শহরের। সেই কারণে পূর্বের সীমানা-ই পৌরসভার সীমানা।
আরও পড়ুন>>>যশোর র‌্যাবের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

আসন্ন নির্বাচনে কেশবপুর পৌরসভায় খসড়া তালিকায় ভোটার বেড়েছে দু’হাজার ৬৭৩ জন।
এবারই প্রথমবারের মতো যশোর এবং কেশবপুর পৌরসভায় ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন-ইভিএমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এই নির্বাচনে খসড়া ভোটার তালিকা অনুযায়ী, যশোর পৌরসভায় ভোটার হয়েছে এক লাখ ৪৬ হাজার ৫৯৮ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৭২ হাজার ৫৫ এবং মহিলা ভোটার রয়েছে ৭৪ হাজার ৫৪৩ জন। সর্বশেষ, ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে ভোটার ছিল এক লাখ ৩১ হাজার ২১ জন। এরমধ্যে পুরুষ ৬৫ হাজার নয়জন এবং ৬৬ হাজার ১২ জন মহিলা ভোটার ছিল।
আরও পড়ুন>>>নড়াইল পৌর নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থীকে জাতীয়পার্টির সমর্থন

একইভাবে কেশবপুর পৌরসভায় সর্বশেষ নির্বাচনে ভোটার ছিল ১৮ হাজার ৫২। এরমধ্যে পুরুষ ছিল আট হাজার ৯২৯ জন। নয় হাজার ১২৩ জন ছিল মহিলা ভোটার। বর্তমানে কেশবপুর পৌরসভায় ভোটার সংখ্যা ২০ হাজার ৭২৫। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ১০ হাজার ১৮৫ জন। ১০ হাজার ৫৪০ জন রয়েছে মহিলা ভোটার।
আরও পড়ুন>>>যশোর শিক্ষাবোর্ডে ছয় দিনব্যাপী শেখ রাসেল ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট সম্পন্ন

ভোটার তালিকার সাথে সংশ্লিষ্ট যশোর জেলা নির্বাচন অফিসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রতীক বরাদ্দের পর গেজেট প্রকাশিত হবে। তখন যাচাই বাছাই করা হবে খসড়া ভোটার তালিকা। যাচাই বাছাইয়ে সামান্য সংখ্যক ভোটার কমবেশি হতে পারে বলে জানান তিনি। ইভিএমে ভোট গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত হওয়ায় নির্দিষ্ট তারিখের অনেক আগেই এই মেশিন ভোট কেন্দ্রে আসবে। সেখানে মগ ভোটিং (ভোটারদের প্রাকটিস করানো) হবে। ইভিএমে কীভাবে ভোটাররা ভোট দিবেন তা হাতে কলমে শেখানো হবে।

এদিকে, যশোর পৌরসভার ভোটারদের বিভ্রান্তি দূর করতে সীমানা নিয়ে জেলার সিনিয়র নির্বাচন অফিসার হুমায়ুন কবির বলেন, যশোর পৌরসভার সীমানা বাড়েনি কখনো। সীমানা বেড়েছে শহরের। শহর আর পৌরসভা এক না। এ কারণে ভোটগ্রহণ করা হবে আগের সীমানায়।
আরও পড়ুন>>>যশোরে নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করছেন প্রলয় কুমার জোয়ারদার

হুমায়ুন কবির বলেন, চাইলেই পৌরসভার সীমানা বৃদ্ধি করা যায় না। এটি একটি জটিল এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। পৌরসভার সীমানা বৃদ্ধি করতে কমপক্ষে আড়াই বছর নিবিড়ভাবে কাজ করতে হবে। সীমানা বৃদ্ধি করতে হলে প্রতিটি বাড়িতে যেতে হবে। বিন্যাস করতে হবে ওয়ার্ডগুলোর। এটি করতে একাধিক ধাপে কাজ সম্পন্ন করতে হয়। নিয়োগ করতে হবে সীমানা নির্ধারণকারী কর্মকর্তা। যার কোনো কিছু যশোর পৌরসভায় এখনো শুরুই হয়নি বলে জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন অফিসার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here