রাজনীতি থেকে আমাদের পরিবারকে সরিয়ে দেওয়ার নীল নকশা হচ্ছে : কাদের মির্জা

0
49
রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার নীল নকশা
ফাইল ফটো

ডেক্স রিপোর্টঃ রাজনীতি থেকে আমাদের পরিবারকে সরিয়ে দেওয়ার নীল নকশা হচ্ছে। আর সেই নীল নকশা মোতাবেক ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জনান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌর মেয়র কাদের মির্জা ।

আরও পড়ুন>>>নড়াইল ট্রাফিক বিভাগের একমাসে ১২লাখ ৪৫হাজার টাকা জরিমানা আদায়

২৪ এপ্রিল শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় নিজের অনুসারী স্বপন মাহমুদের ফেসবুক আইডি থেকে ঘণ্টাব্যাপী লাইভে এসে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন ইতোমধ্যে আমি কয়েকবার কোম্পানীগঞ্জে শান্তির জন্য প্রস্তাব দিয়েছি। ১১টা প্রস্তাবনা আমি উপস্থাপন করেছি। কিন্তু তার বিপরীতে আজকে নোয়াখালী ও ফেনীতে আমাদের পরিবারকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্রের একটা নীল নকশা তৈরি করেছে। সেই নীল নকশা অনুযায়ী ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন>>>সাতক্ষীরার তালা সাজিক্যাল ক্লিনিকে ডাক্তারি রিপোর্টে জালিয়াতি

কাদের মির্জা আরও বলেন, নোয়াখালীর এমপি একরামুল করিম চৌধুরী এখন দুবাইতে অবস্থান করছেন। দুবাই যাওয়ার আগে অপরাজনীতির হোতা একরাম, নিজাম দূর্নীতিবাজ সচিব প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন।

আরও পড়ুন>>>যশোরের স্ক্যান হসপিটালের রোগীরা হেপাটাইসিস ভাইরাস ঝুঁকিতে

সেই বৈঠকে তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, ওবায়দুল কাদের সহ আমাদের পরিবারকে রাজনীতি থেকে সরাবেন এবং আমি, আমার ছেলে ও আমার ছোট ভাই শাহাদাতকে তারা হত্যা করবেন। এই পরিকল্পনা নিয়ে নোয়াখালীর একরাম এখানকার বাদলকে (সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান) তাদের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেছেন, তোমরা বৈঠক করে তোমাদের পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করো।

তারপর সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে আমি, আমার ছেলে ও আমার ছোট ভাইকে হত্যা করা হবে। আর ওবায়দুল কাদেরের রাজনীতি এই নোয়াখালীতে চিরদিনের জন্য নির্বাসনে পাঠাবে। এটার মূল কারণ হচ্ছে, একরাম সাহেবের কাছে খবর এসেছে উনি আর জেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি নেই এবং নিজাম হাজারী খবর পেয়েছেন আগামী পার্লামেন্ট নির্বাচনে উনি আর মনোনয়ন পাচ্ছেন না।

গত ১৬ জানুয়ারি বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনে আবদুল কাদের মির্জা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি আরও তিনবার মেয়র নির্বাচিত হন। নির্বাচনের আগে দলীয় নেতাকর্মীদের সমালোচনা করে সারাদেশে আলোচনায় আসেন কাদের মির্জা।

এরপর কাদের মির্জার সঙ্গে তার দলের বিরোধীপক্ষের সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ দু’জন নিহত হন। এসব ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছে আদালতে। গত (৩১ মার্চ) নিজের ফেসবুক আইডি থেকে তিনি দল থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। এছাড়াও তিনি আর জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করবেন না বলেও ঘোষণা দেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here