সিডিউল মেনে কাজের দাবী– পাইকগাছায় আগরঘাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মান নিয়ে প্রধান শিক্ষকের মর্যদা নষ্টের চেষ্টা—

339

শেখ খায়রুল ইসলাম কপিলমুনি প্রতিনিধি:(খুলনা)
পাইকগাছায় ভবন নির্মানে নিম্ন মানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগে আগরঘাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সুনাম ও প্রধান শিক্ষকের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী ও বিদ্যালয় কমিটি সংশ্লিষ্টদের অভিমত ভবন নির্মানকালে স্থানীয় অনেকেই সুবিধা বঞ্চিত হয়ে এ অভিযোগ তুলে পরিবেশ ঘোলাটে করার পাঁয়তারা করছেন।
সংশ্লিষ্ট সুত্র মতে জানাগেছে, বিগত ১৮-১৯ অর্থবছরে উপজেলার কপিলমুনি ইউপির ঐতিহ্যবাহী আগরঘাটা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪ তলা বিশিষ্ট আধুনিক ভবন নির্মানে সরকার ২ কোটি ৮৬ লাখ ২২ হাজার ৬০৬ টাকা বরাদ্ধ দেন। জানাগেছে, টেন্ডারের পর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর তত্বাবধানে মোজাহার এন্টার প্রাইজের নিয়ন্ত্রনে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পটির কাজ শেষ পর্যায়ে। এদিকে প্রকল্পের শেষ পর্যায়ে কেউ-কেউ ৪ তলার লিন্টন ও ছাদে নিম্ন মানের রড-বালি খোয়া ব্যাবহারে
অভিযোগ তুলে প্রধান শিক্ষককে দোষারোপ করেছেন। এ বিষয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাব এ্যাসিষ্টান্ড ইঞ্জিনিয়ার তারিকুল ইসলাম তারিক সিডিউল মেনে কাজের কথা বলে জানান,,এ অঞ্চলে আমাদের একাধিক প্রকল্পের মধ্যে ১ নম্বরে রয়েছে এ স্কুলের ভবন নির্মান কাজ। ছাদের ৫ টি ভিম ভাঙার কথা বলে ব্যাখা করে জানান, করোনা পরিস্থিতিতে ভবনের কাজ করাকালে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় কিছুক্ষন মিকচার মেশিন ও ভাইব্রেশন ম্যাশিন বন্ধ থাকায় কাজের কিছু অংশ দেশীয় প্রযুক্তিতে করা হয়। সংশ্লিষ্টদের পর্যবেক্ষনে এ অংশটি ত্রুটি ধরা পড়ায় তা ভেঙে ফেলে নতূন ভাবে করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের হেড মিস্ত্রী কাকন চৌধুরী বলেন ভবন নির্মানে নির্মমানের মালামালের ব্যাবহারের কোন সুযোগ নেই এবং এ নিয়ে আমি প্রধান শিক্ষককে জড়িয়ে কারোর সাথে কোন মন্তব্য করেনি। প্রধান শিক্ষক গাজী মোশারফ হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষর দেখভালে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছেন। এছাড়া ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষকদের সমন্বয়ে গঠিত ৭ সদস্যোর তদারকি টিম কাজের তদারকি করে থাকেন এখানে একক ব্যক্তির প্রভাব খাটিয়ে কোন রকম অনিয়ম করে পার পাবার সুযোগ নেই। তবে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও পত্রিকান্তরে প্রকাশিত খবরটি অসত্য বলে মন্তব্য করেন। এ বিয়য়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ফরহাদুজ্জামান তুষার বলেন কারিগরি ত্রুটির কারনে ৫ টি ভিম ভেঙে ফেলে কাজ করা হচ্ছে, এখানে একক ভাবে প্রধান শিক্ষককে অহেতুক দোষারোপ করার কোন সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here